গেমিং একটি বিনোদন — এটি কখনো জীবনের চাপ বা সমস্যার কারণ হওয়া উচিত নয়। jbbaji বিশ্বাস করে দায়িত্বশীল খেলাই সেরা খেলা। তাই আমরা আপনার পাশে থাকতে চাই।
দায়িত্বশীল খেলা বলতে বোঝায় নিজের সামর্থ্য ও সীমার মধ্যে থেকে গেমিং উপভোগ করা। এর মানে হলো — আপনি গেমিংকে বিনোদন হিসেবে নেন, কোনো আয়ের উৎস বা সমস্যা সমাধানের পথ হিসেবে নয়।
jbbaji বিশ্বাস করে, প্রতিটি গেমারের অধিকার আছে নিরাপদ পরিবেশে খেলার। তাই আমরা শুরু থেকেই দায়িত্বশীল গেমিংকে আমাদের মূল নীতির অংশ করেছি। শুধু কথায় নয়, কার্যকর সরঞ্জাম দিয়ে আমরা আপনাকে সাহায্য করতে চাই।
বাংলাদেশের অনেক গেমার আছেন যাঁরা মাঝে মাঝে নিজেই বুঝতে পারেন না কখন গেমিং বিনোদন থেকে চাপে পরিণত হয়েছে। jbbaji-র দায়িত্বশীল খেলার সরঞ্জামগুলো ঠিক এই মুহূর্তে কাজে আসে।
আমাদের পরিষ্কার নিয়ম: কেউ যদি সাহায্য চান, আমরা সবসময় পাশে আছি। কোনো প্রশ্ন ছোট নয়, কোনো সমস্যা লুকানোর নয়। jbbaji একটি পরিবারের মতো — এখানে সবার মঙ্গল চাওয়া হয়।
jbbaji আন্তর্জাতিক দায়িত্বশীল গেমিং মানদণ্ড অনুসরণ করে এবং নিয়মিত স্বাধীন সংস্থার দ্বারা মূল্যায়িত হয়।
jbbaji-তে আপনার নিজের হাতে গেমিং নিয়ন্ত্রণের সব সুবিধা আছে।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিটের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করুন। একবার সীমা সেট করলে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। সীমা কমানো সাথে সাথে হয়, কিন্তু বাড়াতে ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।
প্রতিদিন কতক্ষণ খেলবেন তা আগে থেকে ঠিক করুন। সময় শেষ হলে আপনাকে নোটিফিকেশন পাঠানো হবে। এটি অতিরিক্ত গেমিং রোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর একটি।
একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ হেরে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাজি বন্ধ হয়ে যাবে। এই সরঞ্জামটি বড় ক্ষতি এড়াতে সাহায্য করে এবং আবেগের বশে অতিরিক্ত বাজি ধরা থেকে রক্ষা করে।
২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত গেমিং থেকে বিরতি নিন। বিরতির সময় লগইন করা যাবে না। মাথা ঠান্ডা করে ফিরে আসতে চাইলে এটি সেরা বিকল্প।
দীর্ঘমেয়াদে গেমিং থেকে বিরত থাকতে ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত স্ব-বাদ নিতে পারেন। এই সময়ে কোনোভাবেই অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করা যাবে না।
নির্দিষ্ট সময় পর পর স্ক্রিনে রিমাইন্ডার দেখাবে — কতক্ষণ খেলছেন, কত টাকা জিতেছেন বা হেরেছেন। এই তথ্য আপনাকে সচেতন রাখবে।
এই সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করতে অ্যাকাউন্ট সেটিংসে যান বা আমাদের ২৪/৭ সাপোর্টে যোগাযোগ করুন। সরঞ্জাম সেট করার পর তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়।
আমাদের কাছে প্রতিটি ব্যবহারকারীর মানসিক সুস্বাস্থ্য মুনাফার চেয়েও বড়।
jbbaji-র কাছে ব্যবহারকারীর সুখ ও সুস্বাস্থ্য সবার আগে। টাকা উপার্জনের চেয়ে বিশ্বস্ততা অর্জন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
আমাদের সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমস্যাযুক্ত গেমিং প্যাটার্ন শনাক্ত করে এবং প্রয়োজনে ব্যবহারকারীকে সহায়তার প্রস্তাব দেয়।
আমাদের সাপোর্ট দল দায়িত্বশীল গেমিং বিষয়ে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। সমস্যা বলুন — বিচার নয়, সাহায্য পাবেন।
১৮ বছরের নিচে কেউ যেন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে না পারে তার জন্য কঠোর বয়স যাচাই ব্যবস্থা আছে।
গেমিং আসক্তির লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য প্রদান করা হয়। আমরা চাই গেমাররা সচেতন থাকুন।
সমস্যার কথা সাপোর্টে জানালে তা সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়। কোনো কলঙ্ক নেই, শুধু সহায়তা আছে।
নিচের প্রশ্নগুলো নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন। যদি দুই বা তার বেশি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে আমাদের সাপোর্টের সাথে কথা বলার সময় এসেছে।
গেমে হেরে গেলে কি আপনি হারানো টাকা ফেরত পেতে আরও বেশি বাজি ধরেন?
কাজ, পরিবার বা ঘুমের সময় কমিয়ে কি গেমিং করেছেন?
গেমিং করতে না পারলে কি অস্থিরতা বা বিরক্তি অনুভব করেন?
আপনার গেমিংয়ের পরিমাণ বা খরচ কি পরিবার বা বন্ধুদের থেকে লুকিয়েছেন?
ধার করে বা জরুরি সঞ্চয় থেকে গেমিংয়ে টাকা খরচ করেছেন কি?
যদি এই লক্ষণগুলো আপনার মধ্যে দেখতে পান, দয়া করে আমাদের সাপোর্টে যোগাযোগ করুন বা স্ব-বাদ নিন। সমস্যা স্বীকার করাই সমাধানের প্রথম পদক্ষেপ।
jbbaji-তে সাহায্য নেওয়া খুবই সহজ। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন — গেমিং কি আনন্দ দিচ্ছে নাকি চাপ দিচ্ছে? সৎ উত্তরটাই আপনাকে সঠিক পথ দেখাবে।
অ্যাকাউন্ট সেটিংসে গিয়ে ডিপোজিট সীমা, সময়ের সীমা বা বিরতির সুবিধা নিন। এটি করতে মাত্র ২ মিনিট লাগে।
লাইভ চ্যাটে বা ইমেইলে আমাদের সাথে কথা বলুন। আপনার পরিচয় গোপন থাকবে। আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত।
প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা থেকে কয়েক সপ্তাহের বিরতি নিন। এই সময়টা নিজের জন্য, পরিবারের জন্য কাজে লাগান।
দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদারের সাথে কথা বলুন। এতে কোনো লজ্জা নেই।
মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় বাংলাদেশের জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন। আমাদের সাপোর্ট টিম আপনাকে সঠিক রিসোর্সে পাঠাতে সাহায্য করবে।
jbbaji-তে ১৮ বছরের নিচে কেউ নিবন্ধন করতে পারবে না। এটি শুধু নিয়ম নয় — এটি আমাদের দায়িত্ব।
কিন্তু অনলাইনে শুধু বয়স যাচাই যথেষ্ট নয়। অভিভাবক হিসেবে আপনিও ভূমিকা রাখতে পারেন:
দায়িত্বশীল গেমিং মানে গেম ছেড়ে দেওয়া নয়। এই সহজ অভ্যাসগুলো মেনে চললে গেমিং সবসময় আনন্দের থাকবে:
সাধারণত যা জানতে চাওয়া হয় তার সহজ উত্তর।
আমরা চাই আপনি গেমিং থেকে শুধু আনন্দ পান। নিরাপদ পরিবেশে, নিজের শর্তে খেলুন। jbbaji সবসময় আপনার পাশে।